শিরোনাম

অবশেষে কলাপাড়া মহিলা ডিগ্রী কলেজে অতিরিক্ত ফি ছাড়াই মিলেছে শিড়্গার্থীদের প্রবেশ পত্র ॥

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ১০:০৬:৪৫ অপরাহ্ণ
অবশেষে কলাপাড়া মহিলা ডিগ্রী কলেজে অতিরিক্ত ফি ছাড়াই মিলেছে শিড়্গার্থীদের প্রবেশ পত্র ॥
অবশেষে কলাপাড়া মহিলা ডিগ্রী কলেজে অতিরিক্ত ফি ছাড়াই মিলেছে শিড়্গার্থীদের প্রবেশ পত্র ॥

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি,০৬ ডিসেম্বর।। জান্নাতুল শিফা। এবছর
পটুয়াখালীর কলাপাড়া মহিলা কলেজের এইচ এস সি পরিড়্গার্থী। হতদরিদ্র তার
পিতা কামাল তালুকদার বেশকয়েক কদিন আগে স্ট্রোক করে চিকিৎসাধীূন অবস’ায়
রয়েছে। এর মধ্যে শুরম্ন হয় এইচ এস সি পরিড়্গা। কলেজের শিড়্গকরা বলেছেন
প্রবেশ পত্রের জন্য এক হাজার টাকা দিতে হবে। কিন’ এ টাকার কথা শুনে
হিমশিম খায় ওই শিড়্গার্থী। পরে পরীড়্গার আগ মূহুর্তে সে প্রবেশ পত্রের
জন্য কলেজ ক্যাম্পাসে এসে কান্না জুড়ে দেয়। এক পর্যায়ে কলেজের অধ্যড়্গ
এসে তাকে আশ্বাস দিলে পরে ওই শিড়্গার্থী কলেজ থেকে কোন প্রকার টাকা ছাড়াই
প্রবেশ পত্র সংগ্রহ করে।

সংসিস্নষ্ট সুত্রে জানা গেছে, এ বছর এ কলেজ থেকে ১৫৮ জন এইচ এসসি
শিড়্গার্থী পরিড়্গা দিচ্ছে। এদের কাছ থেকে অতিরিক্ত প্রবেশ ফি বাদব ১
হাজার টাকা ও বিদায় অনুষ্ঠানের জন্য ২০০ টাকা নির্ধারন করে কলেজ কতৃপড়্গ।
শিড়্গকদের অভ্যনত্মরিন কোন্দল ও টাকা উত্তোলনের বিষয়টি মাধ্যমিক ও
উচ্চশিক্ষা বরিশাল অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন জানতে পারেন এবং
তারই নির্দেশনায় কলেজ কতৃপড়্গ শিড়্গার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত প্রবেশ ফি
বাবদ উত্তোলনকৃত টাকা ফিরিয়ে দেয়া হয়।

একাধিক শিড়্গার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাদের কাছে প্রবেশ পত্রের
জন্য ১০০০ টাকা ও বিদায় অনুষ্ঠানের জন্য ২০০ টাকা কলেজের স্যারদের কাছে
দেয়া হয়েছে। পরে ওই টাকা ফেরৎ দেয়া হয়েছে।
কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. বাহাউদ্দিন বলেন, অধ্যক্ষ সাহেব ফোন
করে জানিয়েছেন যে, কলেজ মেইনটেন্যান্সের জন্য এডমিট বিতরণের সময়
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কিছু টাকা নেবেন। কতটা এবং কিভাবে নিবেন এ
ব্যাপারে আমি আসলে অবগত নই।

কলাপাড়া মহিলা ডিগ্রী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন ফারম্নক
গনমাধ্যমকে বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বরিশাল অঞ্চলের পরিচালক মহোদয়ের
নির্দেশে শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন,
সার্টিফিকেট ও প্রশংসাপত্র বাবদ ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা নেয়া হয় যার রশিদ
সকল শিড়্গার্থীদের দেওয়া হয়, এ রশিদ বইয়ের মুড়ি কতিপয় শিড়্গক চুরি করে
নিয়ে যায় বলে অধ্যড়্গ জানান এবং কলেজের সকল উত্তোলিত টাকা সাথে সাথে
কলেজের ব্যাংক হিসাব নম্বরে জমা দেওয়া হয়। সাংবাদিকদের  তিনি আরো জানান,
কতিপয় শিড়্গকদের অহেতুক দস্যুপনার কারনে কলেজের সুনাম এখন নষ্ট হওয়ার পথে
এবং তাদের এ চক্রানত্ম অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান।

Spread the love
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us