শিরোনাম

অ্যালকোহল বিক্রি করেই ৬ মাসে ২৩২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা আয়

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : মঙ্গলবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২৩ ৭:০৩:১০ অপরাহ্ণ

দেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কেরু অ্যান্ড কোম্পানি অ্যালকোহল বিক্রি করে জুলাই ২০২২ থেকে ২০২২ ডিসেম্বর এই ৬ মাসে আয় করেছে ২৩২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি।

কোম্পানিটির একটি অভ্যন্তরীণ অডিট রিপোর্ট থেকে এরকম তথ্য পাওয়া গেছে।

কোম্পানির তথ্য মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে অর্থাৎ জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অ্যালকোহল বিক্রি থেকে আয় হয়েছে ২৩২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আয় হয়েছিল ১৯২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় ৪০ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বেশি আয় হয়েছে। আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।
এর আগে ২০২১-২২ অর্থ-বছরে পুরো সময়ে সর্বোচ্চ বিক্রির রেকর্ড ছিল কোম্পানিটির। সেই সময় কোম্পানিটি আয় করে ৪২৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। ওই বছর রাজস্ব আদায় ও কোম্পানি পরিচালনাসহ সব খরচ বাদে কোম্পানি প্রকৃত মুনাফা করে ৪৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা। তার আগের ২০২০-২১ পুরো অর্থবছরে অ্যালকোহল বিক্রি করে আয় হয়েছিল ৩১৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে প্রকৃত মুনাফা হয়েছিল ১৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।

কোম্পানিটির হিসাব অনুযায়ী, প্রতি মাসে প্রায় ২১ হাজার কেসেরও বেশি অ্যালকোহল বিক্রি করছে কেরু। প্রতিষ্ঠানটি ১৭৫ মিলিলিটার, ৩৭৫ মিলিলিটার ও ৭৫০ মিলিলিটারের বোতলে অ্যালকোহল বাজারজাত করে। একটি কেসে ৭৫০ মিলিলিটারের ১২টি, ৩৭৫ মিলিলিটারের ২৪টি এবং ১৭৫ মিলিলিটারের ৪৮টি বোতল থাকে।

কোম্পানিটির কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি মৌসুমে এই আয় আরও বাড়বে। কারণ প্রতিষ্ঠানটি একদিকে যেমন উৎপাদন বাড়িয়েছে একই সঙ্গে দেশজুড়ে বিক্রয় ও বিক্রয় কেন্দ্র বাড়িয়েছে।

দেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানার ৮৪ বছরের পুরনো একমাত্র অ্যালকোহল উৎপাদনকারী কেরু মোট ৯টি ব্যান্ডের অ্যালকোহল উৎপাদন করে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কেরুর উৎপাদিত অ্যালকোহল বিক্রির পরিমাণও বেড়েছে। গত বছর কোম্পানি প্রতি মাসে গড়ে ১২ থেকে ১৩ হাজার কেস বিক্রি করেছিল। বিগত ৬ মাসে গড়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার বিক্রি অব্যাহত রয়েছে।

সারা দেশে কেরুর ১৩টি ওয়্যারহাউস ও ৩টি বিক্রয়কেন্দ্র ছিল। বর্তমানে কক্সবাজারে একটি নতুন বিক্রয় কেন্দ্র চালু হয়েছে। এছাড়া রূপপুর ও কুয়াকাটায় ১টি করে বিক্রয় কেন্দ্র এবং রাজশাহী ও রামুতে ১টি করে ওয়্যারহাউস নির্মাণের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও করেছে কেরু।

কেরুর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশাররফ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, কেরুর উৎপাদন আন্তর্জাতিক মানের। দেশি বাজারে চাহিদা বাড়ছে। এটির আরও আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি। তিনি এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আরও পড়ুনঃ

মুন্সীগঞ্জ শহরের মানিকপুরে অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতঘর পুড়ে ছাই
ব্রাজিল এবার আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবিয়ে দিলো নিজেদেরই একটি বিমানবাহী রণতরী
আইএমএফ-এর শর্ত ‘কল্পনার বাইরে’ বলে আখ্যা দিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ
ইউক্রেনকে এবার নতুন ধরনের জিএলএসডিবি বোমা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্র কেনো চীনের বেলুনটিকে ভূপাতিত করতে পারছেন না
সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক পরমাণু শক্তি’র মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের উস্কানিমূলক সামরিক তৎপরতা জবাব দেবে, উত্তর ক...
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু কেন্দ্রগুলোর উপর নজরদারির জন্য গুপ্তচর বেলুন ব্যবহার করছে চীন
আঙ্কারা যদি দু’টি ইউরোপীয় দেশের ন্যাটো জোটে অন্তর্ভুক্তির বিরোধিতা করে তাহলে তুরস্কের এফ-১৬ জঙ্গিবিম...
Spread the love
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us