শিরোনাম

ইউপি চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : মঙ্গলবার, এপ্রিল ৬, ২০২১ ৫:৩৫:৫০ অপরাহ্ণ
ইউপি চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
ইউপি চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
মাসুদ রানা, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় রাজারহাট উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. আবু জাফর রিপন ১০ কার্যদিবস সময় দিয়ে তাকে এ নোটিশ দেন।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে এলজিএসপি প্রকল্পের আওতায় ৯ লাখ ৫৮ হাজার ৩৯৪ টাকায় রাজারহাট উপজেলা সদরের মেকুরটারী মৌজার সেকেন্দার আলীর বাড়ি থেকে আপ্তার হোসেনের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা আরসিসি কাজের প্রকল্প দেখানো হয়।
২০১৯-২০ অর্থবছরেও কাগজে-কলমে একই রাস্তায় উপজেলা এলজিইডির এডিপি প্রকল্পর আওতায় ৬ লক্ষাধিক টাকার অন্য একটি প্রকল্প দেখানো হয়। একই রাস্তার নামে দুটি সরকারি প্রকল্প দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ ও ওই রাস্তার ইট তুলে সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এনামুল হকের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।
পরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুজাউদ্দৌলা ঘটনার তদন্ত করে সত্যতা পেয়ে প্রতিবেদন দেন। এর পরিপ্র্রেক্ষিতে রাজারহাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এনামুল হককে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আবুজাফর রিপন।
পরে জেলা প্রশাসককে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানের মতামতসহ প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে।
এদিকে, এলজিএসপির আরও একটি প্রকল্পে রাজারহাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করে উপজেলা সদরের হরিশ্বর তালুক উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম, সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ মোল্লা ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবু স্বাক্ষরিত এ অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ওই বিদ্যালয়ে এলজিএসপির দ্বিতীয় কিস্তির বরাদ্দ বাবদ ৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা এলেও তারা পাননি।
কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এনামুল হক জানান, প্রথমে একই রাস্তার নামে দুটি প্রকল্প দেখানো হলেও পরে একটি রাস্তার নাম পরিবর্তন করে অন্য রাস্তার কাজ করা হয়েছে। হরিশ্বর তালুক উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিযোগের বিষয়ে তিনি জানান,
এ বিষয়ে চিঠি পেলে জবাব দেবেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরে তাসনিম বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us