শিরোনাম

কঠোর হুঁশিয়ারি পুলিশে মাদকসেবীর জায়গা নেই

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৪, ২০২১ ১১:৩৪:১৫ পূর্বাহ্ণ
কঠোর হুঁশিয়ারি পুলিশে মাদকসেবীর জায়গা নেই
কঠোর হুঁশিয়ারি পুলিশে মাদকসেবীর জায়গা নেই

পুলিশ বাহিনীতে মাদকসেবীদের কোনও জায়গা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ডিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ডিএমপির মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

সভায় উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘শুধু পাহারা দিয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ

করা যাবে না। বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের গ্রেফতার করতে হবে। আইনের

আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। মাদক নিয়ন্ত্রণে আরও বেশি তৎপর হতে হবে।

মাদক শুধু উদ্ধার করলে হবে না, এর ‍রুট পর্যন্ত যেতে হবে। প্রযুক্তিগত পদ্ধতি প্রয়োগের

পাশাপাশি ম্যানুয়েল সোর্স নিয়োগের মাধ্যমে বস্তিগুলো মাদকমুক্ত করত হবে। মাদকসেবীদের

চিহ্নিত করে তাদের মা-বাবা ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। তারা যেন সুপথে ফিরে আসতে পারে, তার জন্য কাজ করতে হবে।’

এ সময় রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ডিসেম্বর (২০২০) মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ভালো কাজের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করা হয়।

ডিসেম্বর মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপির আটটি ক্রাইম বিভাগের মধ্যে

প্রথম হয়েছে মিরপুর বিভাগ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ক্রাইম বিভাগের সহকারী পুলিশ

কমিশনারদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন মিরপুর বিভাগের মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ

কমিশনার এমএম মঈনুল ইসলাম। অফিসার ইনচার্জদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন কদমতলী

থানার অফিসার ইনচার্জ জামাল উদ্দিন মীর। পুলিশ পরিদর্শকদের (তদন্ত) মধ্যে প্রথম হয়েছেন

যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাহীনুর রহমান। পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন)-

এর মধ্যে প্রথম হয়েছেন আদাবর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. ফারুক মোল্লা।

শ্রেষ্ঠ এস আই যৌথভাবে নির্বাচিত হয়েছেন পল্লবী থানার এসআই মো. শরীফুল ইসলাম ও

কোতোয়ালি থানার এসআই পাভেল মিয়া। শ্রেষ্ঠ এএসআই যৌথভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ওয়ারী থানার এএসআই মো. নুর ইসলাম ও মতিঝিল  থানার এএসআই হেলাল উদ্দিন।

 

৯টি গোয়েন্দা বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ। শ্রেষ্ঠ টিম লিডার মো.

গোলাম সাকলায়েন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, গুলশান জোনাল টিম, ডিবি গুলশান।

চোরাই গাড়ি উদ্ধারে শ্রেষ্ঠ টিম লিডার মধুসূদন দাস, সহকারী পুলিশ কমিশনার, সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিম, ডিবি-লালবাগ।

মাদকদ্রব্য উদ্ধারে শ্রেষ্ঠ টিম লিডার হয়েছেন মো. গোলাম সাকলায়েন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ

কমিশনার, গুলশান জোনাল টিম, ডিবি-গুলশান। অজ্ঞান/মলম পার্টি গ্রেফতারে শ্রেষ্ঠ টিম

লিডার হয়েছেন তরিকুর রহমান, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার, ধানমন্ডি জোনাল টিম, ডিবি-রমনা।

৮টি ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে প্রথম হয়েছে ট্রাফিক লালবাগ বিভাগ। ট্রাফিক বিভাগে

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন—শ্রেষ্ঠ সহকারী পুলিশ কমিশনার বিমান কুমার দাস, কোতোয়ালি ট্রাফিক

জোন। শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর কাজী আমিনুল ইসলাম, কোতোয়ালি ট্রাফিক জোন। শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট যৌথভাবে সার্জেন্ট মো. রোকনুজ্জামান, শাহবাগ ট্রাফিক জোন ও সার্জেন্ট আব্দুল কাদের, মোহাম্মদপুর ট্রাফিক জোন।

এছাড়া ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার ৫৮ জন কর্মকর্তাকে পুরস্কৃত করেছেন ডিএমপি কমিশনার।

এ সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম

অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস,

ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) ড. এএফএম মাসুম রব্বানী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম

অ্যান্ড অপারেশনস) কৃষ্ণপদ রায়, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) একেএম হাফিজ

আক্তার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনারসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us