শিরোনাম

কলাপাড়ায় ইউএনও অফিস চত্বরের বড় সাইজের ১০/১২টি গাছ অবৈধভাবে কাটা হলো আসবাবপত্র তৈরীর অজুহাতে ॥

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১, ২০২১ ৯:১২:৩৮ অপরাহ্ণ
কলাপাড়ায় ইউএনও অফিস চত্বরের বড় সাইজের ১০/১২টি গাছ অবৈধভাবে কাটা হলো আসবাবপত্র তৈরীর অজুহাতে ॥
কলাপাড়ায় ইউএনও অফিস চত্বরের বড় সাইজের ১০/১২টি গাছ অবৈধভাবে কাটা হলো আসবাবপত্র তৈরীর অজুহাতে ॥

রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি   ঃ    কলাপাড়ায়
আসবাবপত্র তৈরীর অজুহাতে ইউএনও অফিস চত্বর থেকে বন বিভাগের অগোচরে ১০/১২
টি বড় সাইজের রেইনট্রি, চাম্বল প্রজাতীর গাছ কেটে স্বমিলে পাঠালেন ইউএনও
আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক। নৈশ প্রহরীকে দিয়ে রাতের আধাঁরে স্বমিলে
এসব গাছ পাঠান তিনি। ইউএনও’র এ অবৈধ কর্মকান্ড নিয়ে অফিস পাড়ায়
কানা-ঘুষার পর গনমাধ্যমকর্মীদের কাছে গাছ কাটার বিষয়ে ইউএনও বলেন, গাছ
কাটা হয়নি ঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছ সরিয়ে ফেলা হয়েছে, যা দিয়ে প্রোগ্রামের
ফার্নিচার বানানো হবে। এবিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান অবগত আছে।

বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়, কক্সবাজার এলএ অফিসে নানা
বিতর্কের পর পদোন্নতি পেয়ে কলাপাড়ায় ইউএনও হিসেবে যোগদান করেন আবু হাসনাত
মোহাম্মদ শহিদুল হক। করোনা পরিস্থিতির শুরুতে দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত
সরকারী সেবা দিয়ে হিরো হন ইউএনও। এরপরই ক্রমশ: আলোচনায় আসেন তিনি। গুঞ্জন
ওঠে পিআইও কর্মকর্তার সাথে আতাঁত করে দুস্থদের চাল কালো বাজারে বিক্রীর।
এরপর পিআইও অফিসের ১ কোটি ১২ লাখ টাকার প্রকল্প কাজ না করে উত্তোলন করায়
ফেঁসে যান ওই পিআইও, পরে সরকারী কোষাগারে জমা দিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি তার।
এবার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান উদযাপনে সরকারী ফান্ডের কয়েক লক্ষ টাকা
উত্তোলন ও অগোচরে বনবিভাগের গাছ কেটে ফের আলোচনায় আসেন ইউএনও আবু হাসনাত
মোহাম্মদ শহিদুল হক। সূত্র আরও জানায়, সম্প্রতি ইউএনও চত্বরের পূর্ব দিক
থেকে ১০/১২টি বড় সাইজের রেইনট্রি ও চাম্বল প্রজাতীর প্রায় ১২০ কেভি গাছ,
যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪০ হাজার টাকা, রাতের আঁধারে এক নৈশ প্রহরীকে
দিয়ে স্বমিলে পাঠান ইউএনও।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শহরের একটি স্বমিল ব্যবসায়ী জানান, সিপিপি
অফিসের নৈশ প্রহরী সেন্টু শুক্রবার ২৬মার্চ একটি রেইনট্রি গাছ টমটম যোগে
উসুয়ে বাবুর স্বমিলে চেরাই করার জন্য আনে। যা আনুমানিক ১০ কেভি, প্রতি
কেভি মূল্য ৩৫০ টাকা হারে মোট ৩৫০০ টাকা হবে।

কলাপাড়া রেঞ্জ অফিসের বন কর্মকর্তা আ: ছালাম বলেন, সরকারী অফিসের ঝড়ে পড়া
গাছ হলেও নিয়ম অনুযায়ী তা অপসারনের জন্য লিখিত ভাবে জানাতে হবে। কিন্তু এ
বিষয়ে আমাকে কিংবা জেলা বন কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়নি।

এবিষয়ে ইউএনও আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ঝড়ে পড়ে
যাওয়া গাছ সরানো হয়েছে, যা দিয়ে প্রোগ্রামের ফার্নিচার বানানো হবে।
বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান সাহেব জানে।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম রাকিবুল আহসান বলেন, গাছ
গুলো নির্মানাধীন পিআইও অফিসের পেছনের খালে পড়ে আছে। যার দু’একটি গাছ
ফার্নিচারের কাজে লাগতে পারে। বাকীগুলো লবনাক্ততায় নষ্ট হওয়ায় লাকড়ি ছাড়া
আর কিছুই হবে না।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us