শিরোনাম

কলাপাড়ায় খালে মাছ মরে পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, অতিষ্ঠ ও দুর্ভোগে এলাকাবাসী ॥

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : রবিবার, মে ১৬, ২০২১ ৮:৫৪:২০ অপরাহ্ণ
কলাপাড়ায় খালে মাছ মরে পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, অতিষ্ঠ ও দুর্ভোগে এলাকাবাসী ॥
কলাপাড়ায় খালে মাছ মরে পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, অতিষ্ঠ ও দুর্ভোগে এলাকাবাসী ॥

রাসেল কবির মুরাদ , কলাপাডা(পটুযাখালী)প্রতিনিধি  ঃ   কলাপাড়ার সরকারী
খালে লিজ নিয়ে চাষকরা বিভিন্ন প্রজাতির অসংখ্য মাছ মরে পচে দুর্গন্ধ
ছড়াচ্ছে। বাতাসে পচা মাছের দুর্গন্ধে  অতিষ্ঠ এলাকাবাসী এবং পথচারীরা।
নাক চেপে অতি কষ্টে পথে চলতে দেখা গেছে পথচারীদের। শুক্রবার ঈদের দিন
থেকে নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকা-কুযাকাটা মহাসডকের মাষ্টারবাড়ি নামক
স্টেশন সংলগ্ন গোলমইয়ার খালে দুইদিন যাবত ব্যাক্তি মালিকানায় চাষ করা
বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে ওঠে পঁচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

স্থানীয় দোকানদার নজরুল খা এ প্রতিবেদকবে বলেন, দুই দিন যাবৎ পচা মাছের
দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। কাস্টমার দোকানে বসতে চায়না। নাকে কাপর চেপে
অতিকষ্টে থাকতে হচ্ছে আমাদের। একই অভিযোগ করেন ঐ বাজারের ব্যাবসায়ী কমল
এবং শুসান্ত মৃধা। পার্শবর্তী গ্রামের সামসু গাজী বলেন,  রোজ এখান থেকে
চলাচল করি দুই দিন পর্যন্ত দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। নাকে কাপর দিয়ে
চলতে হচ্ছে। খালের পাড়ে বসবাসকারী পরিবারগুলোও একই অভিযোগ করেছেন।  সকলেই
বলেন পচা মাছের দূর্গন্ধে আমাদে অসুস্থ হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। তাই
তারা এই দুরাবস্থা থেকে মুক্তি চেয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

পায়রা মৎস্য চাষ সমবায় সমিতি লি:-এর অন্যতম সদস্য সমির কর্মকার
গনমাধ্যমকে বলেন, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের গোল মইয়ারখালে আমাদের সমিতির নামে এ
ঘেরটি রয়েছে। ডিসি অফিস হতে সমিতির নামে ডিসিআর নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরে
এখানে মৎস্য চাষ করে আসছি। কেহ শত্রুতাাবসত লোনা পানি ঢুকিয়ে দিয়ে ব্যাপক
পরিমান মাছ মেরে ফেলেছে। পরিবেশের যাতে ক্ষতি না হয় সেজন্য আমরা যতদূর
সম্ভব বড়বড় মাছগুলো সরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করছি। এখনও অনেক ছোট আকারের মরা
মাছ রয়েছে যা আমরা এখনও সরাতে পারিনি।

নীলগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, মাছগুলো
কেনো-কিকারনে মারা যাচ্ছে জানিনা, তবে পচা মাছগুলো দ্রুত অপসারন করা
হচ্ছে বলে তিনি জানান।

কলাপাড়া উপজেলা মৎস কর্মকর্তা অপু সাহার মুঠো ফোনে বারবার যোগাযোগের
চেষ্টা করেও ফোন বন্ধ থাকায় তার সাথে কথা বলা যায়নি।

এবিষয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হকের সাথে
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের
চেয়ারম্যানকে ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য দ্রুত নির্দেশ প্রদান করবেন বলে তিনি
জানান।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us