শিরোনাম

কেশবপুরের ভান্ডরখোলা বাজারে প্রভাবশালীর হাত থেকে রক্ষার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : রবিবার, জুন ২১, ২০২০ ১০:৫২:৪৪ অপরাহ্ণ
কেশবপুরের ভান্ডরখোলা বাজারে প্রভাবশালীর হাত থেকে রক্ষার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন
কেশবপুরের ভান্ডরখোলা বাজারে প্রভাবশালীর হাত থেকে রক্ষার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

আবু হুরাইরা রাসেল কেশবপুর প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুরে ভান্ডরখোলা বাজারে প্রভাবশালী মনিরুল ইসলামের হাত থেকে ৩ টি অসহায় পরিবারের ক্ষুদ্র দোকান ঘর রক্ষার দাবীতে রবিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলার ভান্ডরখোলা বাজারে বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিক্ষক হাফিজুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে বলেন, উপজেলার খোপদহি গ্রামের মৃত তেছের আলী মোড়লের পূত্র হতদরিদ্র আব্দুল আজিজ, মৃত হামিদ আলী মোড়লের পূত্র নুর মোহাম্মদ ও নুর মোহাম্মদ মোড়লের পূত্র আমিনুর রহমান ভান্ডারখোলা বাজারে কাছারী পুকুর ধারে হাল ২০৭২, ২০৭৫ ও ২০৭৬ দাগের উপর ২০০৮ সালে টোলঘর নির্মাণ করে আখের রস, ডাব, কলা ও চপ বিক্রি করে অদ্যবধি কোন রকমে জিবিকা নির্বাহ করে আসছে। সরকার দখল অনুযায়ী উক্ত ৩ জন সহ ১১ জনকে ৮/১২ ফুট করে ভিপি জমির অর্ন্তভুক্ত করে বাংলা ১৩৯৪ সাল হতে ১৪২৬ সাল পর্যন্ত ডিসিআর প্রদান করেন। সেই অনুযায়ী তারা উক্ত জমিতে ব্যাবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছে।

কিন্তু ঐ এলাকার প্রভাবশালী ফতেপুর গ্রামের শামছুর শেখের পূত্র মনিরুল ইসলাম গত রমজান মাসে উল্লেখিত ৩ জনের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে একটি ঘর নির্মাণ করে। তাৎক্ষণিকভাবে হতদরিদ্র আব্দুল আজিজ, নুর মোহাম্মদ ও আমিনুর রহমান এলাকাবাসি সহযোগিতায় মনিরুল ইসলামের ঘর উচ্ছেদ করে পুনরায় তাদের ঘর নির্মাণ করে এবং বাজার কমিটির নিকট মনিরুলের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযোগের ভিত্তিতে বাজার কমিটি একটি সভার আয়োজন করলে মনিরুল ইসলাম তার স্বপক্ষে কোন কাগজপত্র দেখাতে না পারায় বাজার কমিটি ঐ তিনজনকে উক্ত জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করে। কিন্তু গত ১৬ জুন ভোরে মনিরুল ইসলাম ও জামাল উদ্দীনের নেতৃত্বে ১০/১২ জন পুনরায় উক্ত ৩টি দোকান ভাংচুর করে। ঐদিন আমিনুর রহমান বাদী হয়ে মনিরুল ইসলাম গংদের নামে থানায় একটি অভিযোগ করে। থানার এস আই পিন্টু মনিরুল ইসলামকে নোটিশ প্রদান করলেও থানায় হাজির হয়নি।

বিষয়টি কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিনও অবগত রয়েছেন। পরবর্তীতে এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সহযোগিতায় তারা পুনরায় দোকানঘর নির্মাণ করেছে। এদিকে প্রভাবশালী মনিরুল বর্হিরাগতদের দিয়ে উল্লেখিত হতদরিদ্র ৩ জনের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে ঘর নির্মাণ করবে বলে পায়তারা চালাচ্ছে। যার ফলে হতদরিদ্র ৩ ব্যক্তি তাদের রোজগারের একমাত্র অবলম্বন দোকানঘর রক্ষার জন্য পরিবার পরিজন নিয়ে সারারাত পাহারা দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মনিরুল ইসলামের হাত থেকে দোকানঘর রক্ষার জন্য যশোর জেলা প্রশাসন ও কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগি হতদরিদ্র আব্দুল আজিজ, নুর মোহাম্মদ ও আমিনুর রহমান।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর