শিরোনাম

ছাত্রলীগ নেতাকে হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে মারধর করেন এসআই

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, মার্চ ১, ২০২১ ৬:০৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ
ছাত্রলীগ নেতাকে হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে মারধর করেন এসআই
ছাত্রলীগ নেতাকে হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে মারধর করেন এসআই

বগুড়া পৌরসভা নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে নৌকার মেয়র প্রার্থীর এজেন্টকে খাবার সরবরাহ করা নিয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে এসআই রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক মুকুল হোসেনকে হ্যান্ডকাপ লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, প্রিসাইডিং অফিসারের সামনে তাকে বেদম মারপিট করে প্রায় তিন ঘণ্টা একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও জেলা ছাত্রলীগ সূত্র জানায়, বেলা ১টার দিকে বগুড়া পৌরসভার ২০নং ওয়ার্ডের বগুড়া কলেজ কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকের এজেন্টদের প্যাকেট খাবার সরবরাহ করেন ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন। খাবার কম হওয়ায় তিনি বাইরে থেকে আরও প্যাকেট নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করছিলেন।

এ সময় সেখানে দায়িত্বরত ধুনট থানার এসআই  রফিকুল ইসলাম তাকে বাধা দেন। জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক মুকুল হোসেন এর প্রতিবাদ ও বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।

ছাত্রলীগ নেতা মুকুল হোসেন অভিযোগ করেন, বাধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের কক্ষে নেওয়া হয়। সেখানে ওই পুলিশ কর্মকর্তা ও একজন কনস্টেবল তাকে মারপিট করেন।

এ প্রসঙ্গে বগুড়া কলেজ কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার আবদুল মালেক সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ এক যুবককে হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে কেন বসিয়ে রেখেছিল তা তার জানা নেই। কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে তার অনুমতিও নেয়া হয়নি।

ছাত্রলীগ নেতাকে মারপিটের বিষয়ে তিনি বলেন, শুধু ধস্তাধস্তি হয়েছে। মারধরের সময় তিনি কাজে ব্যস্ত ছিলেন।

ওয়ারেন্ট বা মামলা ছাড়া কাউকে হ্যান্ডকাপ পরানো যায় কিনা- এ প্রসঙ্গে ধুনট থানার এসআই রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে বাইরে থাকা শিবগঞ্জ থানার ওসি এসএম বদিউজ্জামানকে প্রশ্ন করুন।

ওই কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্রলীগের নেতাকে আটক বা হ্যান্ডকাপ পরানোর ব্যাপারে তার কিছু জানা নেই। এ ঘটনা জানাজানি হলে বেলা ৩টার দিকে পুলিশ জেলা ছাত্রলীগ নেতা মুকুল হোসেনকে ছেড়ে দেয়।

বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা বলেন, ঘটনাটি জানার পর ছাত্রলীগের ওই নেতাকে ছেড়ে দিতে বলেছেন।

জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক মুকুল হোসেন ফোন না ধরায় এ ব্যাপারে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেবেন কিনা তা জানা যায়নি।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us