শিরোনাম

ছেলের সঙ্গে ‘মামুনুলের দ্বিতীয় স্ত্রী’র ফোনালাপ

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : রবিবার, এপ্রিল ৪, ২০২১ ১০:১৪:৪৯ অপরাহ্ণ
ফোনালাপ ফাঁস নিয়ে লাইভে এসে যা বললেন মামুনুল হক
ফোনালাপ ফাঁস নিয়ে লাইভে এসে যা বললেন মামুনুল হক

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁর একটি রিসোর্টে গতকাল শনিবার হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার সময় তাঁকে এক নারীসহ আটক করা হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।

বিশ্রামের জন্য ঢাকার অদূরে সোনারগাঁওয়ের একটি সুন্দর দর্শনীয় স্থান সোনাগাঁও জাদুঘরে গিয়েছিলাম। সেখানে সঙ্গে আমার স্ত্রী ছিলেন। স্ত্রীর পরিচয় নিয়ে কিছুটা ধোয়াশা ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। আমার সঙ্গে যিনি ছিলেন তিনি আমার বিবাহিত দ্বিতীয় স্ত্রী।

তাকে মুক্ত করে নিয়ে গেলেও গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ইন্টারনেটে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু মামুনুল হক।

আজ রবিবার মামুনুল হকের দাবি করা দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্না ও ওই নারীর ছেলের কথোকোপথনের একটি অডিও ভাইরাল হয়ে যায়। অডিওটি সামনে নিয়ে এসেছে দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একাত্তর টিভি।

ফোনালাপটি জান্নাত আরা ঝর্নার সঙ্গে তার ছেলে আব্দুর রহমানের। ছেলের বয়স ১৭। নয় বছর বয়সে ঝর্নার সঙ্গে হাফেজ শহীদুল ইসলামের বিয়ে হয়। পারিবারিক কলহের জেরে আড়াই বছর আগে তাদের ডিভোর্স হয়। শহীদুল্লাহ ও ঝর্না দম্পতির আব্দুর রহমান ও তামীম নামে দুই ছেলে আছে।

ফোনালাপের একপর্যায়ে তাদের তামীমের ব্যাপারে জানতে চাইলে আব্দুর রহমান জানায়, সে তার সঙ্গে দেখা করতে যাবে। এরপর ঝর্না বলেন, আমার সঙ্গে আপাতত দেখা করতে আইসো না। দেখা করতে আরো লেইট (দেরি) হবে।

তখন আব্দুর রহমান বলে, সেই বোঝাপড়া আমরা দু’ভাই করে আসবানে! কোন সময় দেখা করতে হয় কোন সময় কি করতে হয়! এরপরই ঝর্না বলে ওঠেন, এখন ঝামেলা দিও না। বহুত ঝামেলার মধ্যে আছি। আর ঝামেলা করিও না।

আব্দুর রহমান বলে, তাঁর জন্য দরদ দেখিও না। সে কিন্তু প্রচণ্ড পরিমাণে মাইর খাবে। খুলনা থেকে আসলে। সে কিন্তু জানে না আমরা দুই ভাই। এই কথা শুনার পর ঝর্না বলেন, শুন আজকে আমি মৃত্যুর হাত থেকে বের হলাম। সত্য গোপন থাকে না। আম্মু খারাপ করছে, আরেকজন খারাপ করছে বুঝলাম। কিন্তু তুমি তো ভালো করবা।

এই সময় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। আব্দুর রহমান বলে, ‘আমার ভালো করার দরকার নেই। আমার সঙ্গে কথা বলো না।’ এরপর মা ছেলেকে বলেন, মেজাজ ঠাণ্ড করে পরে ফোন করার জন্য। কিন্তু ছেলে বলে ওঠে, মেজাজ ঠাণ্ড হবে তখন যখন ওনার সঙ্গে দেখা হবে। সেদিন যে কি হবে উনার! আমি মিডিয়ার সামনে বলবো তো, উনি কেমনে বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করলো। কেমনে বিয়ে করলো। কিসের ইয়েতে! এগুলো মিডিয়ার সামনে বলবো।

একাত্তর টিভির ফাঁস করা সেই অডিও-

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us