শিরোনাম

জয়পুরহাট কড়ই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আহমদ ইশতিয়াক এর বিরুদ্ধে অর্থ আত্বসাৎ ওজালিয়াতির অভিযোগ (তৃতীয়পর্ব)

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, অক্টোবর ১২, ২০২০ ৯:৪৯:৫০ অপরাহ্ণ
জয়পুরহাট কড়ই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আহমদ ইশতিয়াক এর বিরুদ্ধে অর্থ আত্বসাৎ ওজালিয়াতির অভিযোগ (তৃতীয়পর্ব
জয়পুরহাট কড়ই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আহমদ ইশতিয়াক এর বিরুদ্ধে অর্থ আত্বসাৎ ওজালিয়াতির অভিযোগ (তৃতীয়পর্ব

জয়পুরহাট কড়ই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের বিরুদ্ধে

অর্থ আত্বসাৎ ও জালিয়াতির অভিযোগ (তৃতীয় পর্ব)

আবু রায়হান, জয়পুরহাটঃ

জয়পুরহাটের কড়ই নুরুলহুদা কামিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আহমদ ইশতিয়াক এর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও জালিয়াতির অভিযোগের ধারাবাহীক নিউজের তৃতীয় পর্ব।

দ্বিতীয় পর্বে উল্লেখিত সদস্য পদ রক্ষার জন্য তিনি রেকর্ড সংশোধনের কথা বলে বিভিন্ন কৌশল চালিয়ে গেলেও কড়ই নুরুল হুদা কামিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য পদ হাল রেকর্ড সংষোধন না হওয়া পর্যন্ত সদস্য পদ স্থগিত করণের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আরও একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর পদ রক্ষার জন্য কয়েকজন ওয়ারিশের স্বাক্ষর নিয়ে আপোষ নামা তৈরি ও জোর জবরদস্তিমূলক স্বাক্ষর গ্রহণের অপচেষ্টা চালানোর নতুন করে অভিযোগ উঠেছে আহমদ ইশতিয়াকের বিরুদ্ধে।

অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ৮০৩ দাগে ৪৮ শতক জমির ওয়ারিশদের পক্ষ থেকে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক বরাবর কড়ই হাজি পাড়া এলাকার মমতাজ উদ্দীন গত ১১ অক্টোবর একটি লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন উল্লেখিত মাদ্রাসার অবৈধ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আহমদ ইশতিয়াকের বিরুদ্ধে ০৯-০৯-২০২০ ও ১৪-০৯-২০২০ইং তারিখে কড়ই নুরুল হুদা কামিল মাদ্রাসার গভনিং বডির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আহমদ ইশতিয়াক অন্য ওয়ারিশের জমি দান করে সদস্য হয়েছেন মর্মে উক্ত জমি প্রকৃত ওয়ারিশের নিকট ফেরত প্রদান ও কড়ই নুরুল হুদা কামিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য পদ হাল রেকর্ড সংষোধন না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত করণের জন্য আবেদন দেয়া হয়। ফলে উক্ত ভ’য়া সদস্য পদ রক্ষার জন্য বিভিন্ন কৌশল চালিয়ে যাচ্ছে।

তারই ধারাবাহিকতায় কয়েকজন ওয়ারিশের স্বাক্ষর গ্রহণ করে আপোষনামা তৈরীর প্রয়াস চালাচ্ছে আহমদ ইশতিয়াক। বাঁকী প্রায় ১০/১২ জন ওয়ারিশ উক্ত ডিডে স্বাক্ষর না করায় তাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয় ভিতি দিয়ে আসছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কড়ই এলাকাবাসি অতি ক্ষোভ ও হতাশাগ্রস্থ্য চিত্তে জানান, আহমদ ইশতিয়াকের এই সকল দূর্ণীতির সহযোগী হলো তারই চাচাতো ভাই অত্র প্রতিষ্ঠানের গর্ভর্নি বডির দাতা সদস্য আহমদ আল ফারুক, সহকারী শিক্ষক ও কমিটর সাবেক শিক্ষক প্রতিনিধ দেলোয়ার হোসেন। আহমদ ইশতিয়াক প্রভাবপত্তি বৃদ্ধির জন্য তারই আপন ভাই আহমদ ইকবালকে অত্র প্রতিষ্ঠানের কমিটির বিদুৎসাহী সদস্য বানিয়েছে এবং প্রত্যেকবার কমিটিতে মেজরিটি রাখার জন্য সে মরিয়া হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য যে, কড়ই নুরুলহুদা কামিল মাদ্রাসার গর্ভনিং বডির মোট ১৪ জন সদস্যর মধ্যে আহমদ ইশতিয়াক, তার আপন ভাই, চাচাতো ভাই, ভাগিনাসহ একই পরিবার থেকে ৫ জন সদস্য তারাই। যার কারণে প্রতিষ্ঠানটির অর্থ আত্মসাৎ ও বিভিন্ন জালিয়াতি অব্যাহত রয়েছে।

অবশেষে এলাকাবাসি ভাড়াক্রান্ত মনে জানান, আহমদ ইশতিয়াকের খুঁটির জোর কোথায়? তার বিরুদ্ধে এতো লিখিত অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছেনা। এমন দূর্নীতিবাজ ধর্মের লেবাস ধারী ব্যক্তিকে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে রাখলে প্রতিষ্ঠানের কোন উন্নতি হবেনা। কড়ই নুরুলহুদা কামিল মাদ্রাসায় এলাকার ধর্মপ্রাণ জনগন দূর্নীতি করার জন্য ৯৫ একর জমি দান করে নাই। বিধায় দূর্নীতিবাজদের প্রতিষ্ঠানে কোন ঠাঁই নাই এবং প্রতিষ্ঠানটিকে রক্ষা করতে আমরা অবিলম্বে এর প্রতিকার চাই।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর