শিরোনাম

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে এলাকাবাসীর চলাচল

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : মঙ্গলবার, মার্চ ২, ২০২১ ৯:৩৮:১০ অপরাহ্ণ
ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে এলাকাবাসীর চলাচল
ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে এলাকাবাসীর চলাচল

মোঃ নাঈম সরকার (কুমিল্লা)থেকেঃ- কুমিল্লার তিতাস উপজেলার সদর কড়িকান্দি ইউনিয়ন ও নারান্দিয়া ইউনিয়নের মধ্যস্থান পুরোনো তিতাস নদীর ওপর ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ভরসায় দুই ইউনিয়ন সহ ১৭ গ্রামের ২০-২৫ হাজার মানুষের চলাচল। এলাকাবাসী দীর্ঘদিনের দাবি নদীটির ওপর সেতু নির্মাণ ইউক। ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে এলাকার শিক্ষার্থীদের সহ পেশার মানুষের পারাপার হতে হচ্ছে। ঝুকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতলে নিতে চরম কষ্টের শিকার হতে হয়। এই সেতু দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন এলাকার লোকজন। প্রতিদিন এই সেতু দিয়ে কয়েক শতাধিক মানুষ যাতায়াত করে। দীর্ঘদিন ধরে সেতু নির্মাণ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এলাকার সর্বস্তরের জনগণ। সদর কড়িকান্দি ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের দক্ষিণ পার্শ্বে পার্শ্ববর্তী নারান্দিয়া ইউনিয়নের নয়াকান্দি বাজারের উত্তরে পাশে পুরোনো তিতাস নদীতে সেতু নির্মাণ না হওয়ায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে এলাকার হাজার ও মানুষ। ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে অনেকেই শিকার হচ্ছেন দুর্ঘটনায়, ছোট বাচ্চা জন্য সত্যিই খুব কষ্টকর। জীবিকার তাগিদে অতিরিক্ত সময়-অর্থ অপচয় রুখতে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে এলাকার মানুষ । নারান্দিয়া ইউনিয়নের নয়াকান্দি দুখিয়াকান্দি, সোনাকান্দা, বালুয়াকান্দি, ভাটিবন, তুলাকান্দি, নারায়ণপুর, নারান্দিয়া, কড়িকান্দি ইউনিয়নের বন্দরামপুর, কড়িকান্দি রাজাপুর, বিরামকান্দি,কাভাষ কান্দি তিতাস নদীর নতুনচর, চরেরগাঁও বলরামপুর, বাঘাইরামপুর গ্রামের প্রায় ২০-২৫ হাজার মানুষ এই সেতু দিয়ে যাতায়াত করে। নয়াকান্দি গ্রামের ওসমান খাঁন জানান, তিতাস নদীর এ জায়গায় সেতু না থাকায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে আমরা চলাচল করছি। দীর্ঘদিন ধরে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হলেও নতুন সেতু নির্মাণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে আমাদের পারাপার হতে হচ্ছে। প্রায়ই বাঁশে সাঁকো দিয়ে পার হতে গিয়ে অনেকে পড়ে গিয়ে আহত হচ্ছে। উপজেলা প্রকৌশলী অহেদুর রহমান বলেন, এই সেতুটি নির্মাণ করতে হলে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপজেলার সমন্বয় সভায় প্রস্তাব করলে উপজেলা চেয়ারম্যানের মাধ্যমে এমপির ডিও লেটার পাঠালে এলজিইডি অথবা সেতু মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিল পাস হলে,সেতুটি বাস্তবে রূপ পাবে। স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন সরকার জানান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে এলাকার নতুন সেতু নির্মাণের জন্য তালিকা নেওয়া হয়েছে। যদি এই সেতুটির প্রস্তাব পাঠানো না হয়ে থাকে, তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুর নির্মাণের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us