শিরোনাম

ডোপ টেস্ট: মাদকাসক্ত ৮ পুলিশ সদস্যকে অপসারণ

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, নভেম্বর ৩০, ২০২০ ৪:১৭:০৭ অপরাহ্ণ
ডোপ টেস্ট: মাদকাসক্ত ৮ পুলিশ সদস্যকে অপসারণ
ডোপ টেস্ট: মাদকাসক্ত ৮ পুলিশ সদস্যকে অপসারণ

ডোপ টেস্টে মাদকাসক্ত প্রমাণিত হওয়ায় কুষ্টিয়ার আট পুলিশ সদস্যকে অপসারণ করা হয়েছে।

সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত।

জানা যায়, গত দেড় বছরে ১১ পুলিশ সদস্যের ডোপ টেস্ট করানো হয়েছে। এর মধ্যে ৯ জনের পজিটিভ এসেছে। আর বাকি একজনের কাছে ইয়াবা ও গাঁজা পাওয়া গেছে। অপসারণ করা ওই আট পুলিশ সদস্যের দুজন উপপরিদর্শক, দুজন সহকারী উপপরিদর্শক ও বাকিরা কনস্টেবল।

এদের একজনের বিষয় তদন্তাধীন রয়েছে। আর বাকিদের অপসারণ করা হয়েছে চাকরি থেকে।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার বলেন, মাদকের সঙ্গে কোনো আপস নয়। আমাদের স্বারষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান আইজিপিও মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই শুদ্ধি অভিযান চলছে।

ডোপ টেস্টে ৯ জনের মাদক গ্রহণের বিষয়টি ধরা পড়েছে। একজনের কাছে মাদক পাওয়া গেছে। আমরা কুষ্টিয়া থেকে মাদক নির্মূলের পাশাপাশি পুলিশ থেকেও চিরতরে মাদকাসক্তদের বাড়িতে পাঠাতে চাই। কোনো মাদক সেবনকারীর পুলিশে চাকরি করার অধিকার নেই।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাত জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে যোগ দেয়ার পর মাদকের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেন। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের বিষয়ে যেমন কঠোর ব্যবস্থা নেন, তেমনি পুলিশের কারা মাদক ব্যবসা ও সেবনের মতো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত তাও খুঁজে বের করার নির্দেশ দেন।

এর পর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীদের পাকড়াও করার পাশাপাশি পুলিশে শুরু হয় শুদ্ধি অভিযান। মাদকের সঙ্গে নানাভাবে সম্পৃক্ত থাকায় গত দুই বছরে শতাধিক পুলিশ সদস্যকে চিহ্নিত করা হয়। যারা ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করত, অর্থ ও মাসোয়ারা নিত; তাদের বিরুদ্ধে বদলিসহ বিভাগীয় নানা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এ সময়ে আইজিপির নিদের্শনা অনুযায়ী, পুলিশ সদস্যদের ডোপ টেস্ট করার উদ্যোগ নেন পুলিশ সুপার। তিনি সহেন্দভাজন ও গোয়েন্দা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২০১৯ সালের মে মাসে প্রথম কয়েকজন পুলিশ সদস্যের ডোপ টেস্ট করনোর নির্দেশ দেন।

পরীক্ষায় তারা নিয়মিত মাদক সেবন করে রিপোর্ট আসে। ফেনসিডিল, ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদক তারা নিয়মিত গ্রহণ করত বলে রিপোর্টে জানা যায়। এর পর গত দেড় বছরে পর্যায়ক্রমে ১১ জনের ডোপ টেস্ট করা হয়।
রিপোর্ট আসার পর পুলিশ সুপার তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেন। এদের সবার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us