শিরোনাম

ধর্ষণের মামলার সমঝোতায় বিয়ে পর স্ত্রীকে হত্যা

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০২১ ৯:২৭:০৯ অপরাহ্ণ
ধর্ষণের মামলার সমঝোতায় বিয়ে পর স্ত্রীকে হত্যা
ধর্ষণের মামলার সমঝোতায় বিয়ে পর স্ত্রীকে হত্যা

ঢাকা থেকে বরিশালগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ কুয়াকাটা-২ এর কেবিন থেকে শারমিন আক্তার নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নিহতের স্বামী মো. মাসুদকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্পর্কের জেরে ধর্ষণের মামলার পর সমঝোতায় বিয়ে হয় শারমিন ও মাসুদের।

গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ জানায়, মাসুদ শারমিনকে বিয়ে করলেও তার সঙ্গে সংসার করার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন না।

কিন্তু শারমিনকে ডিভোর্স দিতে চাইলেও দেনমোহর বাবদ পাঁচ লাখ টাকা পরিশোধ করার ক্ষমতা তার নেই। এ বিষয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। ফলে ঘটনার ১৫-২০ দিন আগে শারমিনকে তিনি হত্যার পরিকল্পনা করেন। সম্প্রতি শারমিন সর্দি এবং কাঁশিতে আক্রান্ত হয়। এই অসুস্থতার সুযোগে তাকে কাশির সিরাপের সঙ্গে বিষপান করানোর পরিকল্পনা করেন মাসুদ।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মাসুদ চারদিন আগে আশুলিয়া বাজার থেকে চেতনানাশক একটি বোতল কিনে। এরপর মাসুদ বরিশালে ড্রাইভিং লাইসেন্সের কাগজ জমা দিতে যাবে বলে শারমিনকে বিভিন্নভাবে ফুসলিয়ে নলছিটিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য রাজী করায়। সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বৃহস্পতিবার রাতা বরিশালে রওয়ানা হয়।

মাসুদ আরো জানায়, হত্যার সময় যাতে শারমিনের চিত্কারে আশেপাশের কেউ কোনো কিছু শুনতে না পায় এই জন্য সে পরিকল্পিতভাবেই বরিশালগামী এমভি কুয়াকাটা-২ লঞ্চের লস্কর কেবিন ভাড়া নেয়। ওষুধের সঙ্গে বিষপান করিয়ে মাসুদ তার কাধব্যাগ থেকে তার শার্ট বের করে শারমিনকে শ্বাসরোধ করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে।

গতকাল রবিবার কক্সবাজার থেকে নিহত শরমিনের স্বামী মাসুদ হাওলাদারকে (১৯) গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুনঃ

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us