শিরোনাম

ধর্ষণ চেষ্টাকালে ইতালি প্রবাসীকে হত্যা ,অতঃপর হত্যাকারী জবানবন্দি

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : সোমবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ১০:৪৩:০৪ অপরাহ্ণ
ধর্ষণ চেষ্টাকালে ইতালি প্রবাসীকে হত্যা ,অতঃপর হত্যাকারী জবানবন্দি
ধর্ষণ চেষ্টাকালে ইতালি প্রবাসীকে হত্যা ,অতঃপর হত্যাকারী জবানবন্দি

কিশোরগঞ্জে ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টাকালে ইতালি প্রবাসীকে হত্যার পর থানায় আত্মসমর্পণকারী গৃহবধূকে ব্যাংক কর্মকর্তা স্বামীসহ গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নিহত ইটালি প্রবাসী মো. আমিনুল আলম (৪৫) শহরের নীলগঞ্জ রোডের শোলাকিয়া সেবাশ্রম এলাকার মৃত আব্দুছ ছামাদের ছেলে। তিনি দুই  মাস চারদিন আগে ছুটিতে ইতালি থেকে দেশে এসেছিলেন। ১২ ডিসেম্বর তার ইতালিতে ফিরে যাওয়ার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে সেটি বাড়িয়ে ২ জানুয়ারি পুনর্নির্ধারণ করেছিলেন।

নিহত ইটালি প্রবাসী আমিনুল আলমের স্ত্রী সোমা আলম বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ওই গৃহবধূ এবং তার ব্যাংক কর্মকর্তা স্বামীসহ আরও অজ্ঞাত চারজনকে আসামি করা হয়।

হত্যাকারী গৃহবধূ:ইতালি প্রবাসী মো. আমিনুল আলমের বাসায় তারা ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। বাসার মালিক আমিনুল আলমের চরিত্র ভালো না থাকায় সে বাসা ছেড়ে প্রায় আড়াই বছর অন্য বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন। আগের  ভাড়া বাসার মালিক হিসেবে পরিচয়ের সূত্র ধরে আমিনুল আলম গৃহবধূকে বিভিন্ন সময় মোবাইল ফোনে কু-প্রস্তাবসহ বিভিন্ন ধরনের খারাপ কথাবার্তা বলতেন। বিষয়টি আমিনুল আলমের স্ত্রীসহ আত্মীয়-স্বজন জানান। এতে আমিনুল আলম ক্ষিপ্ত ও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন।

এমন পরিস্থিতিতে শুক্রবার বিকালে স্ত্রী-সন্তানদের ভাড়া বাসায় রেখে স্বামী গ্রামের বাড়ি যান। ওই দিন রাত পৌনে ১১টার দিকে আমিনুল আলম গৃহবধূর ভাড়া বাসায় গিয়ে তাকে জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরে এবং ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই গৃহবধূ নিজের সম্ভ্রম বাঁচাতে হাতের কাছে থাকা মসলা বাটার কাজে ব্যবহৃত পাথরের শিল দিয়ে আমিনুল আলমের মাথায় আঘাত করেন। এতে গুরুতর রক্তাক্ত জখমের ধকল সইতে না পেরে আমিনুল মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় তিনি আরও ভয় পেয়ে দ্রুত  বাসার দরোজায় তালা ঝুলিয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় হাজির হয়ে পুলিশকে ঘটনা খুলে বলেন।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে শনিবার ভোরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন আমিনুল।

এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. আবুবকর সিদ্দিক এসব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।নিহত ইটালি প্রবাসী আমিনুল আলমের স্ত্রী সোমা আলম বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ওই গৃহবধূ এবং তার ব্যাংক কর্মকর্তা স্বামীসহ আরও অজ্ঞাত চারজনকে আসামি করা হয়।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us