শিরোনাম

পরশুরামের মির্জানগরে ইউনিয়নে একই ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী দুই ভাই

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৫, ২০২১ ৮:৪৮:১৩ অপরাহ্ণ
পরশুরামের মির্জানগরে ইউনিয়নে একই ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী দুই ভাই
পরশুরামের মির্জানগরে ইউনিয়নে একই ওয়ার্ডে মেম্বার প্রার্থী দুই ভাই

পেয়ার আহাম্মদ চৌধুরী,ফেনী জেলা প্রতিনিধি:- ফেনীর পরশুরামের মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একই ওয়ার্ডে সদস্য (মেম্বার) প্রার্থী হয়ে মাঠে তাক লাগিয়ে চলছেন দুই সহোদর।

আগামী ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়ে দুই ভাই সমানতালে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে একই পরিবার থেকে দুই ভাই প্রার্থী হওয়ায় আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিষয়টি নিয়ে ভোটারদের মাঝেও রয়েছে নানা গুঞ্জন।

স্থানীয়রা জানায়, মির্জানগর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিক নিয়ে মাঠে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে আসছেন। এদের মাঝে দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী সহোদর। এরা হচ্ছেন পূর্ব সাহেব নগর গ্রামের অলিউর রহমান চৌধুরীর ছেলে বর্তমান মেম্বার আবু বকর ছিদ্দিক চৌধুরী (মোরগ) ও তার ছোট ভাই মনির হোসেন চৌধুরী (তালা)।

একই পরিবার থেকে দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী থাকার বিষয়টি নিয়ে ভোটারদের মাঝে কৌতুহল দেখা গেছে। এ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা। বিষয়টি নিয়ে কিছুটা বেকায়দায় রয়েছেন এ দুই প্রার্থীর স্বজনরা। তবে প্রতীক বরাদ্ধের পর থেকেই দুই ভাই সমানতালে ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করে চলেছেন।

ভোটাররা জানায়, এরআগে ২০১৬ সালে মির্জানগর ইউপি নির্বাচনে ২নং ওয়ার্ড হতে আওয়ামীলীগের সমর্থন নিয়ে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় মেম্বার নির্বাচিত হন আবু বকর ছিদ্দিক চৌধুরী। কিন্তুু এবার নির্বাচনী মাঠে নিজ ভাই মনির হোসেন চৌধুরী প্রার্থী হওয়ায় তিনি বিপাকে পড়েছেন। তবে দুই ভাই বিজয়ের ব্যপারে খুবই আশাবাদী রয়েছেন।

এদিকে একই পরিবারের দুই ভাই প্রার্থী হওয়ায় কিছুটা বেকায়দায় পড়েছেন স্বজনরা। তারা দুই ভাইয়ের কারো পক্ষেই জোরালো ও প্রকাশ্য কোন ভূমিকা নিতে পারছেন না। শেষ দিকে দুই ভাইয়ের মাঝে যার পাল্লা ভারী থাকবে তাকেই আত্মীয় স্বজনরা সমর্থন দিয়ে এগিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিশ্চুক এক আত্মীয়।

এ বিষয়ে বর্তমান ইউপি সদস্য আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, গত পাঁচ বছর আমি দায়িত্ব পালন করেছি। মেম্বার হওয়ার আগে ও পরে বিতর্কের উর্ধ্বে থেকে আমি দীর্ঘদিন সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছি। এবারও ভোটাররা আমাকে আশ্বস্ত করছেন। আমি পূনরায় সদস্য নির্বাচিত হব।

তিনি আরো বলেন, এবারের নির্বাচনে আমার ছোট ভাই মনির হোসেনও প্রার্থী হয়েছে। এখন পছন্দ হলে আমাকে ভোটারেরা ভোট দেবে, না হয় তাকে দেবে। এইটা তাঁদের নাগরিক অধিকার।

এদিকে মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, আমি ইউপি সদস্য প্রার্থী হয়ে ভোটারদের মাঝে সাঁড়া জাগিয়েছি। আমার আত্মীয় স্বজন এবং ওয়ার্ডের গন্যমান ব্যাক্তিরা চায় আমি নির্বাচন করি। সবাই আমাকে নির্বাচন করতে উদ্ধুদ্ধ করেছে। মানুষ উন্নয়ন ও পরিবর্তন দুটোই চায়। জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী। নির্বাচিত হলে ইনশাআল্লাহ আমি আমার ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত করব।

মনির হোসেন আরো বলেন, তার বড় ভাই আবু বক্কর ছিদ্দিকে নিয়ে এলাকার মানুষের মনে নানা প্রশ্ন। কারণ তাঁর সঙ্গে এলাকার ভোটারদের গত পাঁচ বছর কোন যোগাযোগ ছিল না। তিনি তাঁর নির্বাচনি এলাকার বাহিরে ছিলেন।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us