1. admin@sonarbangla365.com : newsbangla2023 :
বিএনপি-আ. লীগের সমাবেশ ঘিরে টানটান উত্তেজনা - Sonar Bangla365
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন
আপডেট নিউজ

বিএনপি-আ. লীগের সমাবেশ ঘিরে টানটান উত্তেজনা

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০২৩
  • ১৯১ Time View
বিএনপি-আ. লীগের সমাবেশ ঘিরে টানটান উত্তেজনা
বিএনপি-আ. লীগের সমাবেশ ঘিরে টানটান উত্তেজনা

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে তীব্র হচ্ছে রাজনৈতিক সংকট। সংলাপের দরজা প্রায় বন্ধ। রাজপথে মুখোমুখি অবস্থানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।

যে কোনো মূল্যে ঢাকার নিয়ন্ত্রণ রাখতে চায় দুদল। সে লক্ষ্যে একদিন পিছিয়ে আজ নয়াপল্টনে মহাসমাবেশ করবে বিএনপি। তাদের মোকাবিলায় পালটা সমাবেশ করবে ক্ষমতাসীন দলের তিন সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন।

এসব কর্মসূচিতে ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি নিয়েছে দল দুটি। সারা দেশ থেকে নেতাকর্মীরা ঢাকায় আসছেন। বিএনপির সমমনা ৩৬টি দল ছাড়াও যুগপৎ আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে এবি পার্টি আজ রাজপথে থাকবে। দীর্ঘদিন পর আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ অন্তত ৪০টি দল একই দিন রাজধানীতে কর্মসূচি পালন করবে। রাজপথে বড় দুই দলের শক্তির লড়াই আজ।

বড় দুই দলের অনড় অবস্থান এবং আজ ঢাকার রাজপথ দখলে বিশাল শোডাউনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনা। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশিদের নজরও থাকবে ঢাকার দিকে। পালটাপালটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ বিশেষ করে রাজধানীবাসীর মধ্যে দেখা গেছে চরম উৎকণ্ঠা। আজ কী হবে বা কী হতে যাচ্ছে-এমন আলোচনাই সর্বত্র। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এমন পরিস্থিতিকে রাজনীতিতে ঝড়ের পূর্বাভাস বলে মনে করছেন।

তাদের মতে, গণতান্ত্রিকভাবে সভা-সমাবেশ করার অধিকার সবার রয়েছে। কিন্তু একই দিন পালটা কর্মসূচি সংঘাতকে উসকে দিতে পারে। যে কোনো মুহূর্তে এসব কর্মসূচি সহিংসতায় রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই রাজনৈতিক দলগুলোকে এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতি থেকে সরে আসতে হবে। দেশের কথা চিন্তা করে বসতে হবে আলোচনায়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সরকারের পদত্যাগের একদফা দাবিতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছে বিএনপি। সভা-সমাবেশ, পদযাত্রা, অনশন করে তারা এটাকে গণ-আন্দোলনে রূপ দিতে চায়। কিন্তু শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিয়ে সরকারের পদত্যাগের একদফা দাবি আদায় করা সহজ নয়। তারা রাজপথে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আহ্বান জানালে কিংবা হুঁশিয়ারি দিলেই সরকার পদত্যাগ করে ফেলবে, সেটা ভাবার কারণ নেই। তাই গণ-আন্দোলনও শেষ পর্যন্ত সহিংস রূপ নিতে পারে।

অন্যদিকে বিএনপির আন্দোলন মোকাবিলায় ক্ষমতাসীনরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে। ইতোমধ্যে সেই প্রস্তুতিও শুরু করেছে দলটি। দাবি আদায়ে শেষ পর্যন্ত বিএনপি নেতাকর্মীরা রাজপথে টানা অবস্থান নিলে আওয়ামী লীগ নীরবে তা মেনে নেবে না। প্রশাসনের সহায়তায় যে কোনো মূল্যে তাদের সরিয়ে রাজপথ নিজেদের দখলে রাখতে চাইবে।

মুখে কথা কিংবা হুঁশিয়ারি দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের সরানো যাবে না। সরাতে গেলেই বেধে যেতে পারে সংঘর্ষ। দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে একবার সংঘর্ষ শুরু হলে মুহূর্তে তা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে। একপর্যায়ে রাজনীতি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

অনেকের মতে, রাজনৈতিক এ পরিস্থিতিতে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে দেশি-বিদেশি নানা শক্তি তৎপর। ভূরাজনৈতিক ইস্যুতে প্রভাবশালী কয়েকটি দেশ এখানে প্রভাব বিস্তারে নানাভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে। বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে প্রকাশ্যেই তারা নানা পরামর্শ ও মন্তব্য করছেন। নিজেদের স্বার্থ হাসিলে রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কাজে লাগাতে পারে ওইসব শক্তি। যদি বাস্তবে তাই হয়, তাহলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হবে। এক অনিশ্চিত গন্তব্যে চলে যাবে দেশ।

জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার যুগান্তরকে বলেন, সামনের দিনে রাজনীতিতে ভালো কিছু দেখছি না। বড় দুই দল যেভাবে একই দিন পালটাপালটি কর্মসূচি নিয়ে মাঠে রয়েছে তাতে যে কোনো মুহূর্তে বড় কিছু হয়ে যেতে পারে। এটাকে রাজনীতি বলে না। এটা জেনেশুনে দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেওয়া।

তিনি বলেন, এখনো সময় আছে। এসব থেকে বড় দুই দলকে সরে আসতে হবে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন নিয়ে একটি সমাধানে পৌঁছাতে হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Copyright © 2017-2023 SonarBangla365
Theme Customized BY LatestNews
%d bloggers like this: