শিরোনাম

মাধবপুরে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত।

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : শুক্রবার, মার্চ ৫, ২০২১ ১:৪৯:৩৫ অপরাহ্ণ
মাধবপুরে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত।
মাধবপুরে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বরখাস্ত।
মাধবপুর হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরের নোয়াপাড়া ভূমি অফিসের ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) দেবী প্রসাদ কর এর বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহণের ভিডিও ক্লিপের সত্যতা পাওয়ায় থাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত বুধবার জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান সাক্ষরিত এক পত্রে থাকে বহিষ্কার করা হয়।জানা যায় ঘুষ ছাড়া কোন কাজ করতেন না তিনি ।ঘুষ-দুর্নীতির ‘রসের হাঁড়িতে’ মজে অনিয়মকে রূপ দিয়েছিলেন নিয়মে! আর এতে করে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হতে হত সাধারণ মানুষকে।অফিসের টেবিলে বসে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা ঘুষ নিতেন তিনি। ঘুষ না দিলে ভুক্তভোগী কে ফাইল নিয়ে কড়া নাড়তে হত তার দরজায়। অনিয়ম, ঘুষ, দুর্নীতি, হয়রানি, জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে তহশিলদার দেবী প্রসাদ কর এর বিরুদ্ধে।ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা কেউ তার অনিয়মের প্রতিবাদ করলেই ওই ভূমি কর্মকর্তা একটি দালাল চক্রকে লেলিয়ে দিতেন তাদের পেছনে ।,,,, অনুসন্ধানে ২মিনিট ৫৮ সেকেন্ড এর ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে জমির খাজনা দিতে আসা এক ব্যক্তির কাছে তিনি খাজনা বাবদ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন।যার মধ্যে তিনি গ্রাহক কে ১০ হাজার ৬০০ টাকার রশিদ প্রদান করবেন। অবশিষ্ট টাকা ঘুষ হিসাবে যাবে তার পকেটে। কিন্তু ভুক্তভোগী ঘুষ বাবদ অতিরিক্ত ৯হাজার ৪০০ টাকা দিতে আপত্তি জানালে তহসিলদার দেবী থাকে খাজনার রশিদ না দিয়েই ফিরিয়ে দেন। নিরুপায় হয়ে ওই গ্রাহক ও ফিরে যান বাড়িতে। জানা যায়,দেবী প্রসাদ কর নোয়াপাড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠে।ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন ।তার ঘুষ বাণিজ্য’অনিয়ম ’ দুর্নীতি ও নিজের নিয়োজিত দালাল সিন্ডিকেটের উৎপাতে আমরা অতিষ্ঠ । গোটা নোয়াপাড়া ভূমি অফিস হয়ে উঠেছে অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়া। এক্ষেত্রে ভয়ভীতিরও বালাই নেই।এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বাধন নামে এক ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, জমির খাজনা বাবদ ৫ হাজার টাকা নিলেও রশিদ দেন মাত্র ২ হাজার টাকার এবং অডিট বাবদ দাবি করেন বাকি টাকা । ওই ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা আরেক ভুক্তভোগী সুমন মিয়া জানান নাম খারিজের জন্য ওই ভূমি কর্মকর্তার কাছে গেলে তিনি ঘুষ না দেওয়ায় তার ফাইল আটকে রেখেছেন কয়েক মাস ধরে। সরেজমিনে দেখা গেছে, চা,পান খাওয়ার জন্য উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা দেবী প্রসাদ কর কে ঘুষের টাকা দিচ্ছেন নাম জারি করতে আসা এক ব্যক্তি। পাশে সাংবাদিক বুঝতে পেরে ঘুষের টাকা হাতে নেননি তিনি।ঘুষের টাকা দাবি করার বিষয়ে মোবাইল ফোনে কথা হলে দেবী প্রসাদ কর ওই গ্রাহকের কাছে ঘুষ চাওয়ার কথা অস্বীকার করে নানা তাল বাহানা শুরু করেন। এক পর্যায়ে ভিডিও ফুটেজের কথা বললে তিনি ঘুষ দাবি করার কথা স্বীকার করেন।প্রতিনিধি কে উনার সাথে বসে বিষয় টি শেষ করার প্রস্তাব দেন,যার কল রেকর্ড ও সংরক্ষিত আছে।
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us