শিরোনাম

রাজারহাটে বেগম নুরজাহান শিশুসদন এতিমখানার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : বুধবার, মার্চ ৩, ২০২১ ৫:৫৯:২৯ অপরাহ্ণ
রাজারহাটে বেগম নুরজাহান শিশুসদন এতিমখানার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
রাজারহাটে বেগম নুরজাহান শিশুসদন এতিমখানার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২২ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আলোকিত ভোর,প্রজন্ম কথা,অনলাইন চ্যানেল সিক্স,বিডি স্টারটিভি সহ একাধিক অনলাইন টিভি, পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে “এতিমের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ” একই শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদগুলো আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে বছরের-পর-বছর এতিমখানা কর্তৃপক্ষ এতিমদের ভুয়া নাম ঠিকানা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হলেও পরে বলা হয়েছে সর্বশেষ ২০১৮-১৯ ইং অর্থ বছরে এতিম শিশুদের জন্য ক্যাপিটেশন গ্রান্ট দ্বিতীয় কিস্তি জানুয়ারি থেকে জুন ১৯ইং ১৩ জন এতিমের বরাদ্দকৃত ৭৮ হাজার টাকা উত্তোলনের কথা। সংবাদে সরেজমিনে তিনজন এতিম শিশু উপস্থিত ও ২/৩জন ছুটিতে থাকার কথা বলা হয়েছে। একই সংবাদের একাংশে উক্ত টাকা আত্মসাতের কথা এবং পরের অংশে সরকারি অর্থ দিয়ে এতিম খানার জমি প্রতিষ্ঠাতার একক নাম ক্রয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদ গুলো সম্পূর্ণ রুপে মিথ্যা,বানোয়াট,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। জনৈক ব্যক্তি পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নিজে ও ভুল বুঝিয়ে অন্যদের দিয়ে উক্ত সংবাদটি প্রচার করেছেন। প্রকৃত সত্য হচ্ছে ১৩ জন এতিমের নামে অনুদানের টাকা এতিমদের ভরণপোষণে ব্যয় করা হয়েছে। দু’বছর পূর্বের তালিকাভুক্ত ওই ১৩ জন এতিম শিক্ষার্থীর সকলে দুই বছর পরেও ওই প্রতিষ্ঠানে থাকার বাধ্যবাধকতা নেই। সংবাদের প্রথমাংশে এতিমদের নামে বরাদ্দকৃত ৭৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ হাস্যকর। কারণ এতিম,দুস্থ ও অনাথ সহ অর্ধশতাধিক আবাসিক শিক্ষার্থীর ভরণপোষণে ৭৮হাজার টাকা ওই মাদ্রাসার দুই মাসেরও ব্যয় নয়। বরং এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা জনাব মোস্তাফিজুর রহমান শাহ ও স্থানীয় দানশীল ব্যক্তিদের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। উল্লেখ্য বর্তমানে প্রতিষ্ঠাতার প্রচেষ্টায় উক্ত এতিমখানায় কাতার চ্যারিটি বাংলাদেশের মাধ্যমে ভবন নির্মিত হচ্ছে। অন্যদিকে এখন সংবাদের পরের অংশে সরকারি অর্থায়নে জমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার নামে ক্রয়ের অভিযোগটি কাল্পনিক। সরকার ওই মাদ্রাসায় জমি ক্রয়ের জন্য কোন অনুদান প্রদান করেননি। বরং দাতা-প্রতিষ্ঠাতা,পরিচালনা কমিটির সদস্য ও স্থানীয় দানশীল ব্যক্তিদের অর্থায়নে জমি ক্রয় করা হয়েছে। তা কোন ব্যক্তির নামে নয় প্রতিষ্ঠানের নামে। জমিটি জনৈক কছর উদ্দিন দানপত্র করার দিয়েছেন।যার দলিল নম্বর-৪২১৭,তারিখ ৩/১২/২০২০ইং। বর্তমানে উক্ত জমি স্থানীয় সাজু মেকার বর্গা চাষাবাদ করে ফসলের অংশ এতিমখানায় প্রদান করে আসছেন। বিভ্রান্তিকর সংবাদটি পরিবেশনের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও সংবাদপত্রের নীতিমালা সম্পূর্ণ রুপে লঙ্ঘন করা হয়েছে। ব্যক্তি আক্রোশে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে এধরণের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করে প্রকৃত সাংবাদিক ও সংবাদপত্রের মানক্ষুন্ন করা হয়েছে বলে আমি মনে করি। অর্থের প্রলোভন দেয়ার বিষয়টিও হাস্যকর। বরং অনৈতিক দাবী পূরন করতে পারলে হয়তো এধরণের বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশনই করা হতো না। প্রকৃতপক্ষে হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার দূরাশায় উক্ত সংবাদদাতা ও তার সহযোগীরা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও এতিমখানা তথা পরিচালনা কমিটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতিকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এধরনের নোংরামী ও মানহানিকর সংবাদ পরিবেশন করেছেন। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে ভবিষ্যতে এধরণের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার আহবান জানাচ্ছি। প্রতিবাদে মোঃ কামরুজ্জামান শাহ সভাপতি বেগম নুরজাহান শিশু সদন এতিমখানা ডাংরারহাট,রাজারহাট,কুড়িগ্রাম।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us