শিরোনাম

শালিখাকে করোনা ভাইরাস মুক্ত রাখতে প্রশাসনের চেষ্টা

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৯, ২০২১ ১০:৩৪:২০ অপরাহ্ণ
শালিখাকে করোনা ভাইরাস মুক্ত রাখতে প্রশাসনের চেষ্টা
শালিখাকে করোনা ভাইরাস মুক্ত রাখতে প্রশাসনের চেষ্টা
মুন্সী হাবিবুল্লাহ, স্টাপ রিপটারঃ
 মাগুরার শালিখা উপজেলা প্রশাসন করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ থেকে শালিখা তথা মাগুরা জেলা বাসীকে সংক্রামন থেকে রক্ষার জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং আইনশৃংখলা বাহিনি আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রথম ধাপের তুলনায় দ্বিতীয় ঢেউয়ে প্রশাসন ছাড়াও সরকারি ও বেসরকারি উদ্যগে বাদ্যতামূলক মাস্ক পরা, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার জন্য জনস্বচেতনা মূলক প্রচার প্রচারণায় একযোগে কাজ করছে।
শালিখা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা গোলাম মোহম্মাদ বাতেন উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পরিদর্শন সহ উলে­খযোগ্য বাজার গুলতে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে জনগণের ভোগান্তি রোধ, ব্যবসায়ীদের দ্রব্য মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরকারী বিধী নিষেধ মেনে চলার জন্য পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে শালিখা থানা পুলিশ প্রশাসন আইন শৃংখলা স্থিতিশীল রেখে সাধারণ জনগণের সাথে মিশে জনস্বচেতনা মূলক প্রচার প্রচারণায় বদ্ধ পরিকর।
২০২০ সালে নতুন আরেক যুদ্ধে নেমেছিল বাংলাদেশ পুলিশ। এই যুদ্ধের নাম করোনা যুদ্ধ। কোনো ট্রেনিং না থাকলেও করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ মাঠে লড়ে যাচ্ছে তারা । পুলিশের আপ্রাণ চেষ্টা ও সতর্ক কারনে শালিখা থানায় করোনা ভাইরাসে তেমন কোন সংক্রমণ দেখা যাইনি।
প্রথম দিকে শালিখা থানা পুলিশ ব্যপক প্রচার প্রচারণা চালিয়ে কঠোর অবস্থানে থাকায় শালিখা বাসির তেমন কোন ক্ষতি হয়নি। উপজেলার বাইরে থেকে কেউ এলে খোঁজখবর নিয়ে তাদের হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিত করতে কাজ করেছেন তারা। দ্বিতীয় ঢেউয়ে এসে সরকারী সিদ্ধান্তে  শালিখার হাটে, মাঠে, ঘাটে, মসজিদে-মন্দিরে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে। স্ত্রী সন্তান সংসার ফেলে মানব সেবায় জীবনের ঝুকি নিয়ে তারা জনগণের সাথেই আছেন।
মাগুরার সকল উপজেলা করোনা ভাইরাসে সংক্রামন হলেও শালিখা থানা তার ব্যাতিক্রম। শালিখা থানা পুলিশ উপজেলার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান যেমন, যশোর মাগুর মহাসড়কের সীমাখালীতে, আড়পাড়া কালিগঞ্জ সড়কের সিমান্তে, নড়াইল শালিখা সিমান্ত ও বাঘারপাড়া শালিখা সিমান্তে  চেকপোস্ট বসালে শালিখা নিরাপদ রাখা সম্ভব।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণে প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবস্থা ভয়াবহ রুপ ধারণ করেছে। যশোর সিমান্ত জেলা হিসাবে যশোরও সংক্রামন দিন দিন বাড়ছে। সেই হিসাবে শালিখা বাসীর একান্ত দাবি সীমাখালীতে চেকপোষ্ট বসিয়ে যশোরের সাথে জন যোগাযোগ বিছিন্ন করতে হবে। প্রতিদিন যশোর থেকে সীমাখালী হয়ে মাগুরার উদ্দেশ্যে অসংখ্য ইজিবাইক, সিএনজি ও লেগুনায় গাদাগাদি করে যাত্রি বহন করছে। তারা মানছে না কোন স্বাস্থ্য বিধি। আবার ভাড়াও নিচ্ছে তিন গুন।
যা লকডাউনের এই সংকটময় মূহুর্তে সাধারন মানুষের নাভীস্বাস হয়ে দাড়িয়েছে। অথচ সরকারী সিদ্ধান্তে গণপরিবহণ বন্ধ আছে। সরকার যখন চলমান লকডাউন বাড়িয়ে দিয়েছেন তখন মানব সেবায় ব্রত হয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ।
শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি হোসেন আল মাহবুব বলেন, দেশের সব দুর্যোগময় মুহূর্তে পুলিশের সেবা আত্মনিবেদিত। বর্তমানে সারা পৃথিবীতে নভেল করোনা ভাইরাস বিস্তার লাভ করেছে। এ সংকটময় মুহূর্তে করোনাভাইরাস রোধে সব ভয়ভীতি ও শঙ্কার ঊর্ধ্বে উঠে আমরা মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছি।
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us