শিরোনাম

সিনহার বিরুদ্ধে আরো তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২০ ১:১২:৫০ অপরাহ্ণ
সিনহার বিরুদ্ধে আরো তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ
সিনহার বিরুদ্ধে আরো তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণসিনহার বিরুদ্ধে আরো তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণসিনহার বিরুদ্ধে আরো তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণসিনহার বিরুদ্ধে আরো তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণসিনহার বিরুদ্ধে আরো তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণসিনহার বিরুদ্ধে আরো তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ

ফারমার্স ব্যাংকের চার কোটি টাকা ঋণ জালিয়াতি ও অর্থপাচারের মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আরো তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে তাঁদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন। যে তিনজন সাক্ষ্য দিয়েছেন তাঁরা হলেন সোনালী ব্যাংক সুপ্রিম কোর্ট শাখার প্রিন্সিপ্যাল অফিসার সাদিকুল ইসলাম, শাকওয়াত হোসেন মিশন ও একই শাখার সিনিয়র অফিসার আওলাদ হোসেন।

এসময় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৪ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

এর আগে মামলার জামিনে থাকা ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, সাবেক এমডি এ কে এম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা মো. শাহজাহান, নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা আদালতে উপস্থিত হন। এছাড়া এ মামলায় কারাগারে থাকা ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী) কে আদালতে হাজির করা হয়।

এদিকে, মামলার প্রধান আসামি সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ চার আসামি এখনো পালাতক। অন্য তিন আসামি হলেন ফারমার্স ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায়।

গত ২৫ আগস্ট মামলার তিনজন সাক্ষী মামলার রেকর্ডিং অফিসার দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম, ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখার অ্যাসিস্টটেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মৃনাল মজুমদার ও একই শাখার এক্সিকিউটিভ অফিসার রেজাউল হাসান সাক্ষ্য দেন। এর আগে গত ১৮ আগস্ট আদালতে তাঁদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন।

আদালত এ মামলার অভিযোগ গঠন করেন গত ১৩ আগস্ট। এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ-৪-এ বদলির আদেশ দেন। গত ৫ জানুয়ারি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ১০ ডিসেম্বর আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের পরিচালক বেনজীর আহমেদ।

তারও আগে ৪ ডিসেম্বর কমিশনের সভায় ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়। গত বছরের ১০ জুলাই দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন বাদী হয়ে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকায় মামলাটি করেন।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর