শিরোনাম

২০ ঘণ্টা পরও চার জেলায় রেল যোগাযোগ বন্ধ।

সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে : শনিবার, মার্চ ৬, ২০২১ ২:৪৩:০৪ অপরাহ্ণ
২০ ঘণ্টা পরও চার জেলায় রেল যোগাযোগ বন্ধ।
২০ ঘণ্টা পরও চার জেলায় রেল যোগাযোগ বন্ধ।
হাসিবুল ইসলাম ,কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়া স্টেশন সংলগ্ন মিলপাড়া এলাকায় মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে রেলওয়ে ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনার ২০ ঘণ্টা পরও কুষ্টিয়ার সঙ্গে খুলনা, রাজশাহী, গোয়ালন্দ ও ফরিদপুরের রেল যোগাযোগ চালু হয়নি। গোয়ালন্দ-পোড়াদহ রুটে ট্রেন চলাচল আজ শনিবার বিকাল ৪টা নাগাদ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার বেলা ২টার দিকে কুষ্টিয়ার মিলপাড়া এলাকায় রেললাইনে আগে থেকে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রলির সঙ্গে সংঘর্ষে লাইনচ্যুত হয় গমবাহী ট্রেনের পাঁচটি বগি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও ট্রেনের লাইন দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ওই দিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ রেলওয়ের পাকশি জোনের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে এসে লাইনচ্যুত পাঁচটি বগি উদ্ধারে কাজ শুরু করে। তারা সারারাত কাজ করে শনিবার সকাল পর্যন্ত তিনটি বগি রেললাইন থেকে সরাতে সক্ষম হয়েছে। বাকি দুটি সরিয়ে লাইন মেরামত করতে আরও ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা সময় লাগবে বলে জানান কুষ্টিয়া রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার এম এ জামান। এদিকে মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে রেলওয়ে ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে রেলওয়ের পার্মানেন্ট ওয়ে ইন্সপেক্টর (পিডিবিআই) সাইফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে ইতোমধ্যে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোহাম্মদ শাহীদুল ইসলাম জানান, একটি তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে পাকশী বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী (লোকো) আশীষ কুমার মণ্ডলকে। কমিটির অন্য চার সদস্য হচ্ছেন- পাকশী বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, পাকশী বিভাগীয় প্রকৌশলী বীরবল মণ্ডল, পাকশী বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী এস এম রাজিব বিল্লাহ এবং পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ডেন্ট রেজওয়ান উর রহমান। কমিটিকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কুষ্টিয়া রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার এম এ জামানের অভিযোগ, বারবার বলার পরও শ্রমিকরা রেললাইন থেকে ট্রলি সরিয়ে না নেওয়ায় কুষ্টিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন মিলপাড়া এলাকায় ট্রেনের পাঁচটি বগি লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজে নিয়োজিত স্টেশনে কর্মরত লাইনম্যান ইব্রাহীম জানান, শ্রমিকদের বারবার ট্রলি সরিয়ে নিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু শ্রমিকেরা ট্রলি সরিয়ে না নিয়ে উল্টো লাল নিশানা দিয়ে ট্রেন থামানোর জন্য বলেন। কিন্তু ততক্ষণে ট্রেন ঢুকে পড়ায় দুর্ঘটনা ঘটে যায়।
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
Facebook Comments

সাম্প্রতিক খবর

Contact Us